স্বদেশে পরদেশী উইগুর

Featured Video Play Icon

ইউটিউবে উইগুর মিউজ়িক সন্ধান করলে অনেক নাচগান দেখবেন, এদের অধিকাংশই শো, বাইরের মানুষকে দেখানোর প্রচেষ্টা যে উইগুররা সুখেশান্তিতে নাচাগানা করে আছে। কামাল আতাতুর্ক একদিকে যেমন সুফী জিকির অবৈধ করেছিলেন, অন্যদিকে দরবেশদের সুফী ঘূর্ণিনৃত্য সমানে চলেছে পর্যটকদের মনোরঞ্জনের জন্যে — চীন সরকারের এ প্রয়াস তার থেকে আলাদা কিছু নয়, বরং আরো ভয়ানক কারণ এভাবে উইগুরদের জাতিগত পরিচয়টাকেই তারা ইনজিনিয়ার করে ফেলছে। সোভিয়েতরাও তাদের অনেক সংখ্যালঘু জনসত্ত্বাকে একইভাবে রিডিফাইন করেছিল।

মুসলিম দেশের সরকারগুলি ফিলিস্তিন নিয়ে গলা ফাটিয়ে ফেললেও উইগুরদের নিয়ে রহস্যজনকভাবে মৌন থাকে, সম্ভবত চীনের সাথে খাতিরের সম্পর্ক বজিয়ে চলার জন্যে। তুরস্কে অনেক উইগুর নির্বাসনে থাকলেও তুরস্কের সরকারও চুপচাপ, কথা বললেই কুর্দী-আরমেনিয়ানদের পুরনো কংকাল সিন্দুক থেকে বেরিয়ে নাচানাচি করবে। মার্কিন আর ইউরোপিয়ানরাই কিন্তু বছরের পর বছর তিব্বতী-উইগুরদের স্বাধিকারের পক্ষে নানাভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। ২০০৮এ একটা গণসংগ্রামের প্রচেষ্টা হলেও ইন্টারনেটে ইনজিনিয়ারড গুজব ছেড়ে চীনারা টেরোরিজ়মের জুজু দেখিয়ে অবস্থা নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়। কিন্তু সেসময় বাইরে থেকে বিবৃতির বেশি সাহায্য আসেনি। তাই অনেক তরুণ উইগুর স্বাধিকার-সংস্কৃতি-মানবাধিকার ভুলে কষে ম্যান্ডারিন শিখছে। অতএব আপাতত সিপিসি সফল।

কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ৫

কথোপকথনের মূল বিষয়বস্তু যতদিন থাকবে শুধুমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প, ততদিনই প্রগতিশীলতার নামে চলবে অসহিষ্ণুতা আর রক্ষণশীলতার নামে অসাধুতা। আমরা যতক্ষণ না চেষ্টা করব আমাদের ‘প্রতিপক্ষ’কে জানার-বোঝার, তাদের সাথে কথা বলার, ততদিন এই প্রগতিশীল-রক্ষণশীল ভন্ডের দল আমাদেরকে ইন্টারনেট আর টিভির মাধ্যমে আলাদা করে রাখবে, আর বুঝ দেবে যে আমরা একে অপরের শত্রু। যতক্ষণ না আমরা নিজেরা সেই অদৃশ্য দেয়াল ভাঙতে সক্ষম হচ্ছি, ততদিন আমাদের ভবিষ্যতে আসতে থাকবে আরো ‘ট্রাম্প’ এবং আরো খারাপ ‘ট্রাম্প’।

কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ৪

৫০ ইলেক্টরাল ভোট আর সাড়ে ৮০ হাজার পপুলার ভোট (মোট ভোটের ০.০৬%!) এদিক-ওদিক হলে ট্রাম্প পেতেন ২৫৪ ভোট আর ক্লিনটন ২৭৭ পেয়ে আজ থাকতেন মার্কিনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট!

কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ৩

অ্যানালিটিকা ফেসবুকের অ্যাডভার্টাইজিং প্ল্যাটফর্ম দিয়ে আপনার জিপকোডকে টার্গেট করলো। একে বলে মাইক্রোটার্গেটিং, জিপকোডের সাথে অন্যান্য ক্যাটেগরির সেটের ইন্টারসেকশন করে তারা আপনার এলাকার সমমনা মানুষকে মাইক্রোটার্গেট করতে পারে।

কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ২

এটা মনে রাখবেন যে ফেসবুক-গুগলের কাছে আপনি হয়ত সোশ্যাল সিক্যুরিটি বা ক্রেডিট কার্ড নাম্বার দেননি, কিন্তু তাদের কাছে যে অস্ত্র আছে সেটা আরো মোক্ষম, সেটা হলো আপনার অন্তরের অন্তস্তলে পৌঁছানোর চাবিকাঠি!

close

ব্লগটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন!