উপায়ান্তরহীন কম্যুনিস্ট নেতৃত্ব — লেনিন, ত্রতস্কি, স্তালিন স্বয়ং — অনেক সাধারণ সদস্য ও লেবার ইউনিয়নের বিরোধিতা সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত নেন রাশিয়ার দ্রুত শিল্পায়নে বৈদেশিক সাহায্য দরকার। পুঁজিবাদী শ্রেণীশত্রুদের শরণাপন্ন হলেও সমস্যা নেই।
হাইতি – ৩, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, ১৮৬০-১৯১০
ফিরম্যাঁ বলেছিলেন, উত্তরের ‘দানব’ যুক্তরাষ্ট্রই হাইতির ভবিষ্যতের চাবিকাঠি। হাইতিবাসীর সামনে একটাই পথ: নিজেদের বিবাদ-বিভক্তি ছেড়ে সময় থাকতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সহযোগিতা-সহমর্মিতার সম্পর্ক গড়ে তোলা। যদি তারা তা করতে না পারে, তাহলে সে দানবই হাইতিকে আপাদমস্তক গিলে খাবে। ফিরম্যাঁপন্থীদের বিফলতায় প্রমাণ হয়ে গেল, হাইতি বেছে নিয়েছে দ্বিতীয় পথটিই।
লাইবেরিয়া – ৫, গৃহযুদ্ধ, ১৯৩০-
তাদের এই অধঃপতনের পেছনে কোন পশ্চিমা সরকার, কোন ঔপনিবেশিক শক্তির তেমন কোন হাত ছিল না। পুরো দেড়শ বছর ধরে মু্ক্ত দাসের বংশধররাই স্বাধীন দেশে নিজেদের পতন ডেকে এনেছে একটু একটু করে।
মে সোয়াজন্তুইত
আমেরিকায় ভিয়েতনামযুদ্ধবিরোধী আর সিভিল রাইটস আন্দোলন, সমাজতান্ত্রিক পোল্যান্ড-চেকোস্লোভাকিয়াতে চেতনার স্বাধীনতার দাবিতে ছাত্রবিক্ষোভ (এ দুটো দেশে কিভাবে পুলিশ, দলীয় পেটোয়াবাহিনী আর মিথ্যে প্রোপ্যাগান্ডার ব্যবহার হয় নব্য বামরা ঘেঁটে দেখুন; সোভিয়েতরা শেষমেশ চেকে দখলদার সেনাবাহিনী পাঠায়)। ফ্রান্স-ইতালিতেও বিশ্ববিদ্যালয়-হাইস্কুলের ছাত্ররা ধর্মঘট ডেকে রাস্তায় নেমে আসে। প্যারিসের সেই আন্দোলন ‘মে সোয়াজ়ন্তুইত’ নামে এখনও স্মরণ করে ফরাসীরা।


