আফিমের ওষধি গুণাগুণ আর আসক্তিকর প্রভাবের কথা প্রাচীন চীন ও ভারত দুই এলাকারই মানুষ জানত। আমরা রান্নায় যে পোস্তদানা ব্যবহার করি, তা আসলে পপি সীড বা আফিম গাছেরই বীজ। মধ্যযুগে চীনে স্থানীয়ভাবে আফিমের চাষ তেমন একটা হত না। মূলত ভারতের বিভিন্ন এলাকায় চাষাবাদের পর চীনে রপ্তানি হত আর কালোবাজারে চড়াদামে বিক্রি হত। আকবরের সময় মুঘলরা ছিল চীনে আফিমব্যবসার একচেটিয়া সত্ত্বাধিকারী।
আইসিন জোরো পু-য়ী
ডাকটিকেটে যাঁর ছবি, তাঁর নাম আইসিন জোরো পু-য়ী। চীনের উথাল-পাথাল সময়ে দু’বার শিশুসম্রাট হয়েছেন, একবার পরেছেন মানচুকোর রাজমুকুট। আলোকচিত্রে তাঁকে দেখা যাচ্ছে বেজিংএর বোটানিক্যাল গার্ডেনে মালীর কাজ করতে!
হাইলে সেলাসি
ঊনবিংশ শতকে আফ্রিকার উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় উপনিবেশ গড়তে থাকে ফ্রান্স, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, জার্মানি ও ইতালি। ইতিহাসবিদরা এই উপনিবেশায়নের নাম দিয়েছেন ‘স্ক্র্যাম্বল ফর আফ্রিকা’। এসময় স্বাধীনতা ধরে রাখতে সক্ষম হয় দুটি দেশ, লাইবেরিয়া ও ইথিওপিয়া।
হাওয়াই’য়ি রাজতন্ত্রের গোধূলি
ব্রিটিশ পরিব্রাজক ক্যাপ্টেন কুক ১৭৭৮ সালে হাওয়াই’য়ি দ্বীপপুঞ্জে প্রথম ইউরোপীয় হিসাবে নোঙর ফেলেন। সে দ্বীপগুলিতে দেড় হাজার বছর ধরে বসতি ছিল পলিনেশিয়ান জনপদের একটি গোত্রের। ক্যাপ্টেন কুকের দলের সাথে ঝগড়াঝাঁটির জের ধরে হাওয়াই’য়িবাসীর হাতে শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়। এর কয়েক বছরের মধ্যেই করিৎকর্মা রাজা প্রথম কামেহামেহা ইউরোপীয়দের সাথে বাণিজ্যের মাধ্যমে তাদের অস্ত্রপ্রযুক্তি করায়ত্ত করেন, আর যুদ্ধাভিযান করে সব দ্বীপকে বশ করেন। এভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় কিংডম অফ হাওয়াই’য়ি।
তান্নু তুভা
এ ডাকটিকেটে দেখানো হচ্ছে যে রেলগাড়ির সাথে রেইস দিচ্ছে ব্যাক্ট্রিয়ান ঊট। ভাবখানা এমন যে, তুভায় এতই প্রগতির বন্যা বইছে যে ঊটকে নিজের চাকরি বহাল রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে!


