কমিউনিজমের অবসান আর স্নায়ুযুদ্ধের যবনিকাপাতের সাথে এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে বিজয়ী পক্ষ কারা। মার্কিন ও পশ্চিমা প্রভাব সারা পৃথিবীতেই মুক্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
বিটকয়েন ও ডিজিটাল কারেন্সি – ৫ (শেষ)
যারা টেকি টাইপের মানুষ, নতুন টেকনোলজি দেখলে উত্তেজিত হয়ে যান, তা হোন। কিন্তু দশপা পিছনে গিয়ে ভাল করে পুরো চিত্রটা একবার দেখবেন। সব টেকনোলজি সময়মত আসে না আর সবকিছুই ভাল বাজার পায় না।
বিটকয়েন ও ডিজিটাল কারেন্সি – ৪
বিটকয়েনের দেখাদেখি এখন প্রায় সাড়ে তিন হাজারের মত ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে চালু হয়েছে। তার মধ্যে বিটকয়েনের পরেই বাজারমূল্যের হিসাবে উপরে আছে রিপল, ইথারিয়াম, বিটকয়েন ক্যাশ, কারডানো আর লাইটকয়েন। এদের সম্পূর্ণ বাজারদর বলা হচ্ছে আড়াই হাজার কোটি ডলারের উপরে! মনে রাখবেন, মানুষ এগুলোকে টাকা দিয়ে কিনছে বলেই এদের দাম আছে, নাহলে তারা ব্লকচেইনে উল্লেখিত একটা সংখ্যামাত্র!
কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ৫
কথোপকথনের মূল বিষয়বস্তু যতদিন থাকবে শুধুমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প, ততদিনই প্রগতিশীলতার নামে চলবে অসহিষ্ণুতা আর রক্ষণশীলতার নামে অসাধুতা। আমরা যতক্ষণ না চেষ্টা করব আমাদের ‘প্রতিপক্ষ’কে জানার-বোঝার, তাদের সাথে কথা বলার, ততদিন এই প্রগতিশীল-রক্ষণশীল ভন্ডের দল আমাদেরকে ইন্টারনেট আর টিভির মাধ্যমে আলাদা করে রাখবে, আর বুঝ দেবে যে আমরা একে অপরের শত্রু। যতক্ষণ না আমরা নিজেরা সেই অদৃশ্য দেয়াল ভাঙতে সক্ষম হচ্ছি, ততদিন আমাদের ভবিষ্যতে আসতে থাকবে আরো ‘ট্রাম্প’ এবং আরো খারাপ ‘ট্রাম্প’।
কেম্ব্রিজ অ্যানালিটিকা সমাচার – ৪
৫০ ইলেক্টরাল ভোট আর সাড়ে ৮০ হাজার পপুলার ভোট (মোট ভোটের ০.০৬%!) এদিক-ওদিক হলে ট্রাম্প পেতেন ২৫৪ ভোট আর ক্লিনটন ২৭৭ পেয়ে আজ থাকতেন মার্কিনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট!


