শুকনো পাতার নুপূর পায়ে…

Featured Video Play Icon

বিদ্রোহী কবি নজরুলের ‘ত্রিভূবনের প্রিয় মোহাম্মদ’ আর ‘শুকনো পাতার নুপূর পায়ে’ গান দু’টি একই সুরে বাঁধা। কিন্তু কাতালান কন্ডাক্টর জোর্ডি সাভালের হেসপেরিওন অনসম্বলের এই পারফরম্যান্সে সেই সুরটার সাথে যে ভাষাগুলিতে গান গাওয়া হচ্ছে, সেটা বাংলা নয় — তুর্কী, আরবী, হিব্রু, গ্রীক, আর লাদিনো!

কাতিউশার বিশ্বযুদ্ধ

Featured Video Play Icon

কাতিউশা নামের এই গানটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে লেখা-গাওয়া, এখনো পপুলার। দেশাত্মবোধক এ গণসঙ্গীতের সুর বিপ্লবী ধাঁচের মনে হলেও, এতে বিপ্লবের ব-ও নেই, সুরটাও ফোক্। এতে কাব্যিক ভাষায় বর্ণিত হয়েছে সুদূর যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধরত প্রেমিকের জন্যে কাতিউশা নামের এক তরুণীর ভালবাসার স্বীকারোক্তি।

সাহারার তুয়ারেগ

Featured Video Play Icon

উত্তর আফ্রিকার লিবিয়া, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, মরোক্কো — এই দেশগুলিকে আমরা জানি আরব-অধ্যুষিত হিসাবে। কিন্তু এই এলাকার আদিবাসীরা আরব নয়, কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানও নয়। গ্রীক-রোমান-যুগ থেকে তাদেরকে ভিনদেশীরা চেনে ‘বেরবের’ নামে; যদিও তারা নিজেদের বলে ‘আমাজ়িগ’ — যার অর্থ মুক্ত মানুষ। এখন মূলত আরবী বা ফরাসীতে কথা বললেও উপরের দেশগুলির একটা বড় জনসংখ্যা বেরবের।

ঐ তারকাখচিত আচ্ছাদনের ঊর্ধ্বে এক স্নেহময় পিতা অবশ্যই আছেন!

Featured Video Play Icon

ফলশ্রুতিতে ভলতেয়ার-মঁতেস্কিউ-পেইনের মত চিন্তাবিদরা যীশুখৃষ্টের আধ্যাত্মিকতাবাদের সাথে প্রাচীন গ্রীস আর মধ্যযুগীয় ইসলামী মনীষীদের যুক্তিবাদী ধ্যানধারণার মিশ্রণের বীজ থেকে উৎপন্ন যে চারায় পানি ঢালা শুরু করলেন, সেটা হলো সার্বজনীন মানবতাধর্মের মতবাদ বা হিউম্যানিজম। আমেরিকার স্থপতিরা টমাস পেইনেরই চিন্তাশিষ্য ছিলেন। মার্কিন সংবিধানের প্রণেতা জেফারসন আর ‌অ্যাডামসের সংগ্রহে বাইবেলের পাশাপাশি তানাখ, কুরান আর গীতা ছিল।

কসাক নৃত্য ও তেভিয়ে

Featured Video Play Icon

লেজার উল্ফ আনন্দের আতিশয্যে পানশালার সবাইকে শ্ন্যাপস খাওয়াচ্ছে, আর সবাই মিলে গান ধরেছে ল্যখাইম — যার অর্থ ‘জীবনের উদ্দেশ্যে’, জীবনে সুখ-দুঃখ যাই আসুক না কেন সবই জলীয়পান করে আনন্দ-উদযাপনের উপযুক্ত। ইহুদীদের নাচগানে বাগড়া দিলো পানশালার উল্টোপ্রান্তে জটলাবাধা রুশ কৃষকের দল। তারা নতুন যুগলের শুভকামনায় বালালাইকার সুরে গান আর কসাক নৃত্য শুরু করে দিল। নাচতে নাচতে দু’দলে ঠোকাঠুকি! সেই দৃশ্যের সন্দেহ আর সাবধানতা ভারি করে তুলেছে পানশালার বাতাস। রুশ চাষা বাউ করে তেভিয়েকে নিমন্ত্রণ করলো একত্রে নাচার জন্যে। কিন্তু ইহুদীদের যে খোদা ছাড়া কারো সামনে মাথানত করা নিষেধ! তেভিয়ে পাল্টা বাউ করলো ঠিকই, কিন্তু একটু তেরচা করে, যেন রুশী তার সরাসরি সামনে না পড়ে। অতঃপর বাড়ানো হাতটা লুফে নিলো, আর দু’দলে মিলে একাত্ম হয়ে গেল নাচতে নাচতে!

close

ব্লগটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন!