অনেক ধর্মে এখনো পশুবলির প্রথা আছে। ইসলামে গবাদিপশু কোরবানীকে আধুনিকচিত্তের অনেক মানুষ দেখেন মধ্যযুগীয় বর্বরতা হিসাবে। মনে রাখা দরকার, ইসলামে পশু কোরবানীর লক্ষ্য শুধুমাত্র খাদ্য নয়, বরং নিজের প্রিয় কোন প্রাণীকে নিজ স্বত্ত্ব পরিত্যাগ করে, মায়া ভুলে ঈশ্বরের কাছে উৎসর্গ করা।
কিংডম অফ গড
ভার্জিন মেরীর থেকে যীশুর সতীজন্ম ব্যাপারটাও পুরনো আইডিয়া। বিশেষ করে গ্রীক মিথে জিউসের জন্ম একই রকম। এমনকি গৌতমবুদ্ধের জন্মও মায়াদেবীর বুকের পাশ থেকে, অর্থাৎ হৃদয় হতে। তাঁর জন্মও সাধারণভাবে হয়নি।
বুডিকার বিদ্রোহ ও অন্যান্য
পিক্টরা ‘সভ্য’ রোমানদের কাছে ছিল বর্বর — অনেকটা থ্রোনসের ওয়াইল্ডলিংদের মত। যুদ্ধক্ষেত্রে তারা আবির্ভূত হত খালি গায়ে, আর সারা শরীরে ছিল রঙীন উল্কি। পিক্টরা ছিল রক্তপিপাসু, হিংস্র। এদের কোন নগর ছিল না, যদিও লৌহনির্মিত অস্ত্রপ্রযুক্তি তাদের নখদর্পণে ছিল।
পুরাকীর্তির সপক্ষে
সোজা কথায় আমরা আজ যা যা বিশ্বাস করি, যেসব মূল্যবোধকে উচ্চাসন দিই, আমাদের পূর্বপুরুষরা কিভাবে কেন সেসবে উপনীত হলেন, কি ধরনের পরিস্থিতি তাদেরকে সেসবের দিকে চালিত করল — এসকল কিছুর উত্তর আছে পুরাকীর্তি আর প্রাচীন ধ্বংসাবশেষের গবেষণার মধ্যে। আমরা যতই চেষ্টা করি না কেন সেসবকে ধ্বংস করে আমাদের পুরনো পরিচয়কে ধামাচাপা দিয়ে জোর করে নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করতে, আমরা পারব না! কারণ সেসকল প্রাচীনতা আমাদের মনস্তত্ত্বের মধ্যে, জাতিগত স্মৃতির মধ্যে মজ্জাগতভাবে প্রথিত!
গতে, গতে, পারগতে, পারসংগতে — বোধি স্বাহা!
মালয়েশিয়ার এথনিক চীনা শিল্পী ইমী উইয়ের গাওয়া এ গানটি বৌদ্ধ ধর্মের সবচে’ পবিত্র মন্ত্রগুলোর একটি। এর নাম প্রজ্ঞাপারমিতাহৃদয় সূত্রম — সংস্কৃত ভাষায় যার অর্থ প্রজ্ঞার পরিপূর্ণতার অন্তঃকরণ। অর্থাৎ এ মন্ত্রের মধ্যে অন্তর্নিহিত আছে সর্বোচ্চ সত্য উদ্ঘাটনের গূঢ়তত্ত্ব।


