সিরিয়াতে কিভাবে ৬৩৩-৬৩৬এর ভেতর ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত হল, তার জন্য দুইটি বিপরীত প্রেক্ষাপট চিন্তা করে দেখতে হবে। এক, বিজ্যান্টিন-সাসানী সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থা ও তাদের মধ্যে একটানা যুদ্ধবিগ্রহ। আরেকটি হলো আরব উপদ্বীপে ট্রাইবাল সিস্টেমের বহুত্বভিত্তিক পরিচয় শেষ হয়ে ইসলামী একত্বভিত্তিক আত্মপরিচয়ের শুরু।
সিরিয়া ও সাইকস-পিকো
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপে সংঘাতের ভৌগোলিক ব্যাপ্তি যতটুকু ছিল তার থেকে অনেক বেশি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সমরাঙ্গনে। ইউরোপের থিয়েটারে সার্বিয়ার পক্ষ নিয়ে রুশ সাম্রাজ্য অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে অস্ট্রিয়ার মিত্র জার্মানি ও রাশিয়ার মিত্র ফরাসী-ব্রিটিশরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
সেরকম, তুরস্ক-জার্মানির গোপন আঁতাঁতের পরে একটি জার্মান যুদ্ধজাহাজ তুর্কী সহায়তায় কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী ওডেসা বন্দরের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনা ছিল তুর্কী যু্দ্ধমন্ত্রী আনওয়ার পাশার যুদ্ধ বাঁধানোর ষড়যন্ত্র, কারণ সুলতানসহ ওসমানী সরকারের অনেকের যুদ্ধে সায় ছিল না। এরপর রুশদের আহ্বানে আবার সেই ফরাসী-ব্রিটিশদের তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা।


