ডাকটিকেটগুলি সেই সময়ের জার্মান প্রশাসিত কোটোর ও জারা শহরের। ডাকটিকিটগুলো অত্যন্ত দুর্লভ নয়, কিন্তু ইউরোপের ইতিহাসের খুব ক্ষণস্থায়ী অস্থির সময়ের সাক্ষী।
রেডিওর জয়যাত্রা
আজ আমরা লাইভ টিভি দেখে অভ্যস্ত। বিশ ও ত্রিশের দশক ছিল লাইভ রেডিওর স্বর্ণযুগ। ১৯২২ সালে আমেরিকায় সর্বপ্রথম রেডিও স্টেশন চালু হয়। জ্যাজ-ব্লুজ-ক্লাসিকালের মত মিউজিক বাজত তাতে। এমনকি লাইভ ব্রেকিং নিউজ হত। ব্রিটেনে ১৯২৩ সালে বিবিসি প্রথম রেডিও সম্প্রচার শুরু করে। একই বছর জার্মানিতেও রেডিও শুরু হয়।
শত্রু যখন মিত্র
রেড ৎসার স্তালিন স্বয়ং নার্ভাস ব্রেকডাউনের দ্বারপ্রান্তে। অনাগ্রসন চুক্তি সইয়ের দু’বছর পুরো না হতেই নাৎসি বাহিনী তাকে আক্রমণ করবে, ভাবনাতেও আসেনি তার।
লেগিওন ফ্রাইয়েস ইন্ডিয়েন
আজাদ হিন্দের ডাকটিকেটগুলি তার ব্যতিক্রম নয়। জার্মানির যে ডাকটিকেটগুলি দেখিয়েছি তার ডিজাইনার স্বামী-স্ত্রীযুগল আক্সটার-হয়েটলাস। আবার এরাই আজাদ হিন্দের ডাকটিকেটেরও ডিজাইনার! আর এ টিকিটগুলো ছাঁপা হয়েছিল জার্মানির সরকারি প্রিন্টিং হাউজ রাইখসড্রুকারিতে। অর্থাৎ তাঁবেদার অন্যান্য সরকারগুলির থেকে এই ‘আজাদ হিন্দ’ খুব একটা আলাদা ছিল না।
বুডিকার বিদ্রোহ ও অন্যান্য
পিক্টরা ‘সভ্য’ রোমানদের কাছে ছিল বর্বর — অনেকটা থ্রোনসের ওয়াইল্ডলিংদের মত। যুদ্ধক্ষেত্রে তারা আবির্ভূত হত খালি গায়ে, আর সারা শরীরে ছিল রঙীন উল্কি। পিক্টরা ছিল রক্তপিপাসু, হিংস্র। এদের কোন নগর ছিল না, যদিও লৌহনির্মিত অস্ত্রপ্রযুক্তি তাদের নখদর্পণে ছিল।


