ইরাকী কুর্দিস্তান যেমন মার্কিন কোয়ালিশনের যুদ্ধের কারণে উপকৃত হয়েছে, তেমনি আরেকটি দেশের কুর্দীরাও সেখানকার গৃহযুদ্ধ থেকে লাভবান হয়েছে। সে দেশটি সিরিয়া।
রাষ্ট্রবিহীন জাতি
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে কুর্দী বিচ্ছিন্নতাবাদের চরিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। উপজাতীয় চরিত্রের জায়গা নিতে শুরু করে জাতীয়তাবাদী ও বামপন্থী আদর্শবাদের রাজনীতি। আর তাদের স্বপ্নপূরণের পথে আরও বেশি শক্ত অবস্থান নেয় উপনিবেশপরবর্তী আরব ও তুর্কী রাষ্ট্রগুলি।
আদি ইসলামী মুদ্রা – ১
এই মু্দ্রাটি ইসলাম ধর্ম ও আরব খেলাফতের ইতিহাসের খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়কার। ১৩০ হিজরী নাগাদ পূর্ববর্তী উমাইয়্যা খেলাফতের আসন টলায়মান। উমাইয়্যাদের পারিবারিক অন্তর্কলহ থেকে গৃহযুদ্ধ হয়ে গেছে এক দফা। তাছাড়াও বিভিন্ন সুদূর প্রদেশের গ্যারিসন টাউনগুলিতেও বিদ্রোহ। এসব সামাল দিয়ে খলীফা দ্বিতীয় মারওয়ান রাজধানী হার্রানে এসে পৌঁছনোর মাসখানেকের মধ্যে শুরু হয়ে যায় ‘আব্বাসী বিপ্লব।’
সিরিয়া ও সাইকস-পিকো
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ইউরোপে সংঘাতের ভৌগোলিক ব্যাপ্তি যতটুকু ছিল তার থেকে অনেক বেশি ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সমরাঙ্গনে। ইউরোপের থিয়েটারে সার্বিয়ার পক্ষ নিয়ে রুশ সাম্রাজ্য অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ফলে অস্ট্রিয়ার মিত্র জার্মানি ও রাশিয়ার মিত্র ফরাসী-ব্রিটিশরা যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
সেরকম, তুরস্ক-জার্মানির গোপন আঁতাঁতের পরে একটি জার্মান যুদ্ধজাহাজ তুর্কী সহায়তায় কৃষ্ণসাগরের তীরবর্তী ওডেসা বন্দরের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনা ছিল তুর্কী যু্দ্ধমন্ত্রী আনওয়ার পাশার যুদ্ধ বাঁধানোর ষড়যন্ত্র, কারণ সুলতানসহ ওসমানী সরকারের অনেকের যুদ্ধে সায় ছিল না। এরপর রুশদের আহ্বানে আবার সেই ফরাসী-ব্রিটিশদের তুরস্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা।


