কমিউনিজমের অবসান আর স্নায়ুযুদ্ধের যবনিকাপাতের সাথে এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে বিজয়ী পক্ষ কারা। মার্কিন ও পশ্চিমা প্রভাব সারা পৃথিবীতেই মুক্তভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ইডিয়ট বক্স
টিভি-ফিল্মের প্রপাগান্ডা ব্যবহারে দুই পরাশক্তির কেউই পিঁছিয়ে থাকেনি। আগের যুগে নাৎসি ও স্তালিনী রেজিম যদি প্রপাগান্ডার মাস্টার হয়ে থাকে, তো এবার টিভি দিয়ে তাদের টেক্কা দেয়াটা কেবল মার্কিন-সোভিয়েতেরই সাজে!
রেডিওর জয়যাত্রা
আজ আমরা লাইভ টিভি দেখে অভ্যস্ত। বিশ ও ত্রিশের দশক ছিল লাইভ রেডিওর স্বর্ণযুগ। ১৯২২ সালে আমেরিকায় সর্বপ্রথম রেডিও স্টেশন চালু হয়। জ্যাজ-ব্লুজ-ক্লাসিকালের মত মিউজিক বাজত তাতে। এমনকি লাইভ ব্রেকিং নিউজ হত। ব্রিটেনে ১৯২৩ সালে বিবিসি প্রথম রেডিও সম্প্রচার শুরু করে। একই বছর জার্মানিতেও রেডিও শুরু হয়।
তথ্যবিপ্লব ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধ
স্বাক্ষরতা, প্রযুক্তি, নতুন সাংবাদিকতা ও সংবাদমাধ্যম, কাগজের মাস প্রডাকশন, প্রিন্টিং প্রেসের অগ্রগতি — ইত্যাদি মাস কমিউনিকেশন ও ব্রডকাস্টিং জগৎকে পুরো বদলে দেয়। বলতে পারেন, খবরের ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস নেচার শুরু হয়ে যায়। বিশ্বব্যাপী সংঘাত সৃষ্টিতে এই দ্রুত ও পার্সোনাল লেভেলের যোগাযোগ অবশ্যই একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
শত্রু যখন মিত্র
রেড ৎসার স্তালিন স্বয়ং নার্ভাস ব্রেকডাউনের দ্বারপ্রান্তে। অনাগ্রসন চুক্তি সইয়ের দু’বছর পুরো না হতেই নাৎসি বাহিনী তাকে আক্রমণ করবে, ভাবনাতেও আসেনি তার।


